ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে আজ ৫ আগস্ট (বুধবার) সকাল ৯টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত সাবেক গণভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হচ্ছে 'জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর'। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই ঐতিহাসিক স্মৃতি জাদুঘরের ফলক উন্মোচন করবেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও সূচি
সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত ভাবগম্ভীর পরিবেশে আয়োজন করা হয়েছে।
উদ্বোধনের সময়: আজ ৫ আগস্ট ২০২৬, বুধবার সকাল ৯:০০ ঘটিকা।
প্রধান অতিথি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
উপস্থিতি: উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন সরকারের মন্ত্রী পরিষদের সদস্যবৃন্দ, বিদেশি কূটনীতিকগণ, বিশিষ্ট সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ এবং গণঅভ্যুত্থানের শীর্ষ সমন্বয়ক ও শহীদ পরিবারের সদস্যগণ।
সর্বসাধারণের প্রবেশ: উদ্বোধনের দিন ৫ আগস্ট এটি বিশেষ আমন্ত্রিত অতিথি ও শহীদ পরিবারের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। আগামীকাল ৬ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) থেকে জাদুঘরটি সকল সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।
জাদুঘরের প্রেক্ষাপট ও বৈচিত্র্যময় প্রদর্শনী
[Ad Placement - Middle of Article]
স্বৈরাচারী শাসনের পতনের দিন ৫ আগস্ট গণভবন পরিণত হয়েছিল সাধারণ মানুষের বিজয়ের প্রতীক হিসেবে। সেই স্মৃতি এবং গণঅভ্যুত্থানের বীর শহীদদের আত্মত্যাগকে অমর করে রাখতেই গণভবনকে একটি ঐতিহাসিক জাদুঘরে রূপান্তর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
জাদুঘরের মূল আকর্ষণসমূহ:
১. শহীদের স্মৃতিচিহ্ন: আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের ব্যবহৃত পোশাক, চশমা, ঘড়ি ও বিভিন্ন স্মারক গ্রন্থিত রাখা হয়েছে।
২. আন্দোলনের ভিজ্যুয়াল গ্যালারি: ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুহূর্তগুলোর আলোকচিত্র, ভিডিও ফুটেজ এবং তৎকালীন ব্যানার-প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
৩. ৩৬ জুলাই ও দেওয়ালচিত্র: সাবেক গণভবনের প্রাচীরজুড়ে আঁকা হয়েছে ৩৬ জুলাইয়ের আন্দোলন ও প্রতিরোধের উত্তাল প্রতিচ্ছবি।
৪. ডিজিটাল আর্কাইভ: ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ও গবেষকদের জন্য অডিও-ভিজ্যুয়াল ফাইল, প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষাৎকার এবং গবেষণামূলক ডিজিটাল তথ্য-উপাত্ত সংরক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।