ধ্বংসস্তূপের মাঝে এক টুকরো মানবতার করুণ চিত্র। ক্যামেরায় ধরা পড়েছে গাজার এক ছোট্ট শিশু, যে নিজের ক্ষমতার চেয়েও ভারী একটি পানির বোতল বয়ে নিয়ে চলেছে। চারপাশ জুড়ে ধ্বংসলীলা, তবুও সে থামেনি। মনের জোর আর অদম্য সাহসে সে নিজেই নিজেকে জুগিয়েছে সান্ত্বনা—“আমি পারব, আমি এটা নিয়ে যেতে পারব।”
কিন্তু যখন তাকে প্রশ্ন করা হয়, “তোমার স্বপ্ন কী?”
তখন এক নিমিষে থমকে যায় সব কোলাহল। শান্ত অথচ ভারাক্রান্ত কণ্ঠে শিশুটি জানায়, “আমার কোনো স্বপ্ন নেই।”
[Ad Placement - Middle of Article]
যুদ্ধ কেড়ে নিয়েছে তার ঘরবাড়ি। এখন তার ঠিকানা কেবল এক অস্থায়ী তাঁবু। অবুঝ এই শিশুটির মনেরণিকট সবচেয়ে বেশি জীবন্ত হয়ে ওঠে তার পুরোনো দিনগুলোর স্মৃতি—যেখানে ছিল একটি নিরাপদ ঘর, সোনালী শৈশব আর অফুরন্ত হাসি।
একটি শিশুর কাঁধে আজ শুধু বেঁচে থাকার পিনিক বা পানির বোতলই নয়, চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে গোটা যুদ্ধের নির্মম ভার। আর তার মুখে বলা ওই একটিমাত্র বাক্য—“আমার কোনো স্বপ্ন নেই”—যেন যুদ্ধক্ষেত্রের যেকোনো পরিসংখ্যানের চেয়েও হাজার গুণে বেশি চিৎকার করে বলে দেয়, এই নিষ্ঠুর যুদ্ধের সবচেয়ে বড় মূল্য আসলে কে পরিশোধ করছে।